• শনি. মে ২১, ২০২২

মোস্তাফিজের দারুণ বোলিং, ব্যাটিং ব্যর্থতায় দিল্লির হার

এপ্রি ৩, ২০২২

দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আইপিএলে মোস্তাফিজুর রহমানের অভিষেকটা ব্যক্তিগতভাবে দারুণ হলো। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তার দল জিততে পারল না।গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৪ রানে হেরে গেছে দিল্লি। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করা গুজরাট নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান করে। জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রানে থামে দিল্লি। চলতি আইপিএলে গুজরাটের বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমে দুর্দান্ত বল করেন ‘দ্য ফিজ’। টস হেরে ব্যাট করতে নামা গুজরাটের বিপক্ষে ম্যাচে দিল্লির সেরা বোলিং পারফরম্যান্স মোস্তাফিজেরই। তিনি নির্ধারিত চার ওভার বল করে ২৩ রান খরচ করে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উইকেট। ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রথম ওভারেই মোস্তাফিজের হাতে বল তুলে দেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম দুই বলে মোস্তাফিজ দেন ১ রান। তৃতীয় বলের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে পাঠান। তবে প্রথমে আউটের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেননি। তবে রিভিউ নেন পন্থ। আলট্রাএজে দেখা যায়, বল ব্যাটে ছুঁয়ে গেছে। ওয়েড ফেরেন মাত্র ১ রানে। প্রথম ওভারে সবমিলিয়ে মোস্তাফিজ দেন ৭ রান।এরপর তাকে বোলিং থেকে সরিয়ে নেন পন্থ। আনেন পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। ষষ্ঠ ওভারে এসে উইকেট না পেলেও মাত্র ৪ রান খরচ করেন কাটার মাস্টার। এরপর ডেথ ওভারে মোস্তাফিজকে আনেন পন্থ। ১৭তম ওভারে ফিজ দেন ৯ রান। দুই ওভার বিরতি দিয়ে ২০তম অর্থাৎ শেষ ওভারটি করতে আসেন মোস্তাফিজ। ওই ওভারে প্রথম বলে ডেভিড মিলার নিতে পারেন মাত্র ১ রান। দ্বিতীয় বলেই উইকেট। এক্সট্রা কভারে মারতে গিয়ে বল আকাশে তুলে দেন রাহুল তেয়াতিয়া (১৩)। তার পরের দুই বলে এক করে দুই রান। এবার অভিনব মনোহরকে (১) কাটারে বিভ্রান্ত করেন মোস্তাফিজ। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে কভারে অক্ষর প্যাটেলের ক্যাচ হন এই ব্যাটার। শেষ বলে রশিদ খান ব্যাট লাগাতে না পারলে দৌড়ে বাই এক রান নেন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দিল্লির একাদশে ছিলেন না মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আজ একাদশে ফিরে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিলেন মোস্তাফিজ। গুজরাটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ বলে ৮৪ রান করেন শুভমন গিল। তিনি ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান। এছাড়া অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ৩১ রান করেন। এ দুজনকে আউট করেন খলিল আহমেদ। তবে ১৭২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দিল্লি। সর্বোচ্চ ২৯ বলে ৪৩ রান করেন অধিনায়ক পন্থ। কিন্তু আর কেউই দলের হয়ে ৩০ রান করতে পারেননি। ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দিল্লিকে। গুজরাটের হয়ে ৪টি উইকেট নিয়ে দিল্লির ইনিংস ধসিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। এছাড়া মোহাম্মদ শামি ২ উইকেট পান।