সাওরাত হোসেন সোহেল, চিলমারী:
আবারো ধস দেখা দিয়েছে ডানতীর রক্ষ প্রকল্প ও শহর রক্ষা অবদা বাঁেধ। বারবার ধস দেখা দেয়ায় ডানতীর রক্ষা প্রকল্পসহ অবদা বাঁধ পড়েছে ঝুঁকিতে সেই সাথে চিলমারী উপজেলার অস্তিস্ব পড়েছে হুমকিতে। ধসের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলানোর বাজেট দিলেও সঠিক সময় সঠিক পরিকল্পনা না থাকা সেই সাথে অনিয়ম আর দুর্নীতির কারনে আতঙ্ক কাটছেনা অভিযোগ স্থানীয়দের। ডানতীর রক্ষা প্রকল্প ও বাঁধ দ্রুত সংস্কারের দাবি জনিয়েছেন সচেতনমহল।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল এলাকার অবদা বাঁধ ও ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে আবারো দেখা দিয়েছে ধস। নতুন করে আবারো বুধবার বিকালে সড়কটারী বাঁধে ধস দেখা দিলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই আতঙ্ক শুধু স্থানীয়দের জন্য নয় এই আতঙ্ক শতশত গ্রামসহ উপজেলাবাসীর। ডানতীর রক্ষা প্রকল্প ও এই বাঁধটি শহর রক্ষাসহ শতশত গ্রাম বন্যা ও ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য নির্মান করা হলেও বাঁধ রক্ষায় নেয়া হচ্ছেনা সঠিক পরিকল্পনা।
ইতি পূর্বে একাধিক স্থানে একাধিক বার ধস দেখা দিলেও নামে মাত্র সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ফেলানো হলেও বছরে পর বছর কেটে যাচ্ছে মেরামতের জন্য নেয়া হয়নি কোন উদ্যোগ ফলে দিন যাচ্ছে আতঙ্ক
-এরপর ভেতরের পাতায়
বাড়ছে। কাঁচকোল টি বাঁধ থেকে কেডিওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২ কিঃমিঃ অবদা বাঁধ ও ডানতীর রক্ষা প্রকল্পটি দীর্ঘদিন থেকে রয়েছে হুমকিতে এবং প্রায় স্থানে দেখা দিয়েছে ধস।
স্থানীয়রা জানান, কোন কারনে ডানতীর রক্ষা প্রকল্প ও এই বাঁধ ভেঙ্গে যায় তাহলে শুধু শতশত গ্রাম নয় চিলমারীর অস্তিত্ব সংকটে পড়বে সেই সাথে নিমিষেই তলিয়ে যাবে গ্রামের পর গ্রাম। স্থানীয় বাসীন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বুধবার বিকালের পর থেকে বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দেয়, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হবে সেই সাথে ভাঙ্গনের শিকার হতে হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী কুড়িগ্রাম মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, ভাঙ্গন রোধে ইতি মধ্যে ৬হাজার জিও ব্যাগের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেটি ফেলানোর কাজ চলছে আর বাঁধ ও ডানতীর মেরামতের জন্য প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে, বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে। ভাঙ্গন ও ধস রোধে জিও ব্যাগ ফেরানোর কাজে অনিমের আশ্রয যেন নেয়া না হয় সেই জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী।
আবারো শহর রক্ষা বাঁধে ধস, চিলমারীর অস্তিত্ব হুমকিতে
