• শনি. জুন ২৭, ২০২৬

Sakaler Kagoj

The Most Popular News Portal

কুড়িগ্রামের ৯ কলেজের কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেনি

অক্টো ১৬, ২০২৫ #কুড়িগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার:

কুড়িগ্রামের নয় কলেজের কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেনি। বৃহস্প‌তিবার (১৬ অ‌ক্টোবর)সকাল ১০টায় এইচএস‌সি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হ‌লে এই নয় ক‌লে‌জের বিষ‌য়ে শুরু হয় নানা আলোচনা সমা‌লোচনা। 

কলেজগুলো হলো- নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল অ‌্যান্ড কলেজ, সমাজ কল্যাণ মহিলা কলেজ, ছিলাখানা মডেল কলেজ, ফুলবাড়ি উপজেলার রাশেদ খান মেনন কলেজ, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ধলডাঙ্গা স্কুল ও কলেজ, রাজারহাট উপজেলার শিংগের ডাবড়ীহাট কলেজ, রৈামারী উপজেলা টাপুর চর স্কুল ও কলেজ, চর শৈলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ ও উলিপুর উপজেলার বাগুয়া অনন্তপুর স্কুল ও কলেজ। 

এই নয় কলেজের মোট ৭৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করলেও পরিক্ষায় অংশ নেয় ৫৪ জন শিক্ষার্থী। বাকি শিক্ষার্থীরা পরিক্ষায় অংশগ্রহন করেনি। ৫৪জন পরিক্ষায় অংশগ্রহন নেওয়া সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

জানা যায়, নাগেশ্বরী পৌর এলাকায় গত ২০১৩ সালে স্থাপিত কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারে প্রথমবারের মত ০৩ জন, ২০০৩ সালে স্থাপিত সমাজ কল্যাণ মহিলা কলেজ থেকে  একজন ও ২০০০ সালে সন্তোষপুর ইউনিয়নের ধনী গাগলায় স্থাপিত ছিলাখানা মডেল কলেজ থেকে ০৬ জন পরীক্ষার্থী এবারে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া ধলডাঙ্গা স্কুল ও কলেজ থেকে একজন, শিংগের ডাবড়ীহাট কলেজ ১০ জন, রাশেদ খান মেনন কলেজ ১২ জন, টাপুর চর স্কুল ও কলেজ চারজন, চর শৈলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ ১৫জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছে।

কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল অ‌্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামসুল হক বলেন, নতুন প্রতিষ্ঠান তাই এমনটা হয়েছে। 

ছিলাখানা মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ বলেন, গত বছরেও এ প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট ভালো ছিল। ১৩ জন পরীক্ষা দেয় সাতজন পাস করে। এবারে যে ছয়জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয় তারা ফরম পুরণ করতেই চায়নি। বাড়ি থেকে ডেকে এনে তাদের ফরম ফিলাপ করানো হয়েছিল।

সমাজকল্যাণ মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আশরাফুল আলম বলেন, দীর্ঘদিনেও প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় অনেক শিক্ষক প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছেন। তাই এমনটা হয়েছে। 

রাশেদ খান মেনন কলেজের অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম জানান, আমাদের কলেজে মোটামুটি পাঠদান হয়। আসলে বুঝতে পারছি না সবাই ফেল করলো।তবে আমরা আবারও পুনরায় খাতা মূল্যায়নের জন্য আবেদন জানানো হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো: আমীর আলী জানান, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া কলেজগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় যে ধরণের নির্দেশণা দিবে সেভাবে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

bitcoin mixer