চিলমারী প্রতিনিধি:
পেড়িয়ে গেল ৩ দিন হয়নি রহস্য উদঘাটন। পুলিশের পক্ষ থেকে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদ ও তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাঁধা দিলেন স্থানীয় যুবক মহিউদ্দিন। সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাঁধা ও হুমকি এঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিলমারী সংবাদ ফোরামসহ সাংবাদিক সমাজ এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারীর মাছাবান্দা শাহপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেন কন্যা আয়শা (২) শুক্রবার সকালে নিখোঁজ হয় পড়ে প্রায় ১২ ঘন্টা পর রাত্রি ১০টার দিকে বাড়ির পাশে চোখ উপড়ে ফেলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। এব্যাপারে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের পিতা। শিশুর লাশ উদ্ধারকে কেন্দ্র চলছে বিভিন্ন আলোচলার ঝড়। এরই পেক্ষিতে সোমবার সকালে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি রিয়াদ বাবু, ইনকিলাব প্রতিনিধি ফয়সাল হক ও কালবেলা প্রতিনিধি এসএম রাফি তথ্যসহ সংবাদ সংগ্রহ করতে যান এসময় স্থানীয় বিভিন্ন মানুষের সাথে আলোচনা করার এক পর্যায়ে খবর পেয়ে স্থানীয় যুবক মহিউদ্দিন ঘটনাস্থলে এসে সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা দেন এবং গালিগালাজ করে হুমকি প্রদান করেন সংবাদিকদের। সমকাল প্রতিনিধি রিয়াদুল ইসলাম জানান, আমরা তিন জন সংবাদ সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলাম, পাশাপাশি স্থানীয় সহ ওই পরিবারের সাথে কথা বলার সময় মহিউদ্দিন আমাদেরকে চার্জ করা শুরু করে এবং অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে গালিগালাজ করেন। কালবেলা প্রতিনিধি এস এম রাফি বলেন, শিশুর লাশ উদ্ধার বিষয় সরেজমিনে তথ্য নিতে গেলে হঠাৎ মহিউদ্দিন এসে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে সাংবাদিক সমাজ কে হেয় করেন। তিনি আরো জানান, কণ্ঠ রোধ করবার এই অপচেষ্টা নিসন্দেহে সত্য ধামাচাপা দেবার পায়তারা। অভিযুক্ত মহিউদ্দিন আহমেদকে একাধিকবার ফোন দিলেও পাওয়া যায় নি। লাশ উদ্ধার ও মামলার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছেন এবং ইতি মধ্যে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের কাজে বাঁধা দুঃখজনক জানিয়ে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার জানান, মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে।
চিলমারীতে শিশুর লাশ উদ্ধার সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাঁধা যুবকের
