• শুক্র. এপ্রি ১৭, ২০২৬

Sakaler Kagoj

The Most Popular News Portal

কুড়িগ্রামে টিসিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু

অক্টো ১২, ২০২৫ #কুড়িগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার:
সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। রবিবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে টিসিভি ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ।
এ সময় সিভিল সার্জন ডা: স্বপন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মুহাইমিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী প্রমুখ।
এছাড়া কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ, জেলা তথ্য অফিসার মো. শাহ জাহান আলী, কুড়িগ্রাম সরকারি বালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলেনুর বেগম, কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমানসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাম্পেইনে বক্তারা বলেন, টিকাদানের মাধ্যমে টাইফয়েডসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগ থেকে জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে টিসিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসুরক্ষায় এই টিকা কার্যক্রম একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা যদি প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গ্যাভি, পাথ, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীদের টাইফয়েড প্রতিরোধক টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি চলবে আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকাদান চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী বাকি শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া নিবন্ধন চলমান রয়েছে। যেসব শিশুর জন্মসনদ নেই, তাদেরও টিকার জন্য নিবন্ধন করা যাবে। এর জন্য নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

bitcoin mixer