• বুধ. অক্টো ২০, ২০২১

ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা রমনাবাসী

সেপ্টে ২২, ২০২১

চিলমারী প্রতিনিধি:
মাসের পর মাস বছরের পর বছর পেড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা রমনাবাসী। হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে। বিপাকে সরকারী দপ্তরের কর্তারাও। ভোগান্তিতে পড়েছে কয়েক’শ শিক্ষার্থীরা। জনসাধারন দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগে থাকলে নজর নেই কর্তৃপক্ষের। কথা দিয়ে কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা। শুধু আশ্বাস দিয়েই নিরব এলজিইডি।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা পিছিয়ে পড়া হলেও নদী বন্দর আর তিস্তা সেতু প্রকল্প হাতে নেয়ায় এগিয়ে যাবে চিলমারী ভাবছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ। কিন্তু সড়কের বেহাল দশা আর ভোগান্তি দুশ্চিন্তায় ফেলিয়েছে এলাকাবাসীকে। সড়কেই আটকে যাচ্ছে সুখ আর শান্তি। আর বাড়িয়ে দিয়েছে ভোগান্তি। সরেজমিন উপজেলার চিলমারী-কুড়িগ্রাম কেসি সড়ক আপন উদ্যোগ থেকে রমনা মাষ্টার পাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কটি এখন মরদ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। এই সড়কের ধারে বিআইডব্লিউটিএ অফিস, নদী বন্দর থানা, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও নজর পড়ছে না দায়িত্বরতদের। দীর্ঘদিন থেকে সড়কটি বেহাল দশায় পরিনত থাকায় কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে উঠছে। ভোগান্তিতে পড়েছে বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তা, কর্মচারী, নদী বন্দর থানায় কর্মরর্তরাসহ শতশত শিক্ষার্থী। সমাজ সেবক গোলাম আশেক আকা বলেন, সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় মানুষজনের কষ্ট বেড়েই চলছে।
চিলমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিক ইকবাল বলেন, এই সড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। তিনি আরো বলেন, এই সড়কে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অফিস ছাড়াও বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে। সড়কটি মরদ ফাঁদে পরিনত হওয়ায় শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তিতে পড়েছে।
দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজগর আলী বলেন, বারবার এলজিইডি এবং কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন লাভ হচ্ছে না।
কথা হলে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান করার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জনসাধানের দুর্ভোগ দ্রুত সমাধান করা হবে।