• সোম. অক্টো ২৬, ২০২০

“ভাঙ্গা সড়কে বাঁশের সাঁকো দুর্ভোগে কয়েক হাজার পরিবার”

সেপ্টে ২৯, ২০২০

সাওরাত হোসেন সোহেল, চিলমারী:
মাস পর বছর পেড়িয়ে গেলেও মেরামত হয়নি শহর রক্ষা সড়ক। গত বছরের বন্যায় ভেঙ্গে গেলেও মাসের পর মাস পেড়িয়ে বছর পাড় হলেও উদ্যোগ না নেয়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। দুর্ভোগে কয়েক হাজার পরিবার। এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করলেও নজর নেই কর্তৃপক্ষের। দিনের পর দিন বাড়ছে দুর্ভোগ বন্যায় ডুবছে সদরসহ শতাধিক গ্রাম।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে বন্যার পানির তোড়ে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার (শহর রক্ষা বাঁধ) কাঁচকোল সড়কটি ভেঙ্গে যায়। এসময় সড়কসহ বেশকিছু বাড়িঘর ভেসে যায়। চলে যায় বন্যা কিন্তু ভাঙ্গা অংশ করা হয়নি মেরামত ফলে দুর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসীসহ হাজারো মানুষ। যদিও রাস্তার এক প্রান্ত থেকে উপর প্রান্ত পর্যন্ত এলাকাবাসী চলাচলের জন্য বাঁধ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়েই চলছে বছর ধরে। শুধু তাই নয় ভেসে ও ভেঙ্গে যাওয়া সড়কটি বছর পেড়িয়ে গেলেও মেরামতের উদ্যোগ না নেয়ায় চলতি বছরে উক্ত ভাঙ্গা অংশ দিয়ে দ্রুত বন্যার পানি প্রবেশ করে উপজেলা সদরসহ প্রায় শতাধিক গ্রাম তলিয়ে দেয়। প্রায় মাস ব্যাপি বন্যায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল প্রায় ২লক্ষধিক মানুষকে। সড়কটি মেরামত না করায় সড়কটি দিয়ে যান চলাচল বন্ধ থাকায় মানুষজনকে সদরের সাথে যোগাযোগ রাখতে পায়ে হেটে অথবা অন্য রাস্তা দিয়ে বেশ দুর ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলা সদরসহ শতাধিক গ্রাম রয়েছে বন্যার মুখে। এলাকার মামুন, দেলোয়ারসহ অনেকে বলেন এই সড়কটিকে বলা হয় শহর রক্ষা বাঁধ এবং এই সড়কটি সদরসহ প্রায় শতাধিক গ্রামকে রাখে বন্যা মুক্ত এরপরেও ১ বছরের বেশি সময় পেড়িয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ নজর দিচ্ছেনা। তারা আরো জানান, সড়কটি র্দীঘদিন থেকে ভাঙ্গা অবস্থায় থাকায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বাঁেশ টানিয়ে ঝুকি নিয়ে মানুষজন চলাচল করছে বছর ব্যাপি। আমরা এর দ্রুত সমাধান চাই। দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট রানীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএসসি) বলেন, সড়কটি মেরামতের জন্য দায়িত্বরতদের সাথে বারবার যোগাযোগ করলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে, সমাজ সেবক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী আবু হানিফা রঞ্জু বলেন, সড়কটি মেরামত না করার ফলে এই বছর পুরো শহরসহ গ্রামের পর গ্রাম প্রায় মাস ব্যাপি পানিতে তলিয়ে ছিল এছাড়াও দুর্ভোগ বাড়ছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সবেমাত্র যোগদান করেছি বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ বলেন, দ্রুত সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।