• মঙ্গল. অক্টো ২০, ২০২০

কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্যে বাড়ছে দেশের রপ্তানি আয়

সেপ্টে ২১, ২০২০

কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্যের রফতানি থেকে দেশের আয় বাড়ছে। বিদ্যমান করোনা ভাইরাসের বাধা কাটিয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে গত কয়েক মাসে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল বন্ধ হওয়া সত্ত্বেও গত দুই মাসে পাট খাত থেকে রপ্তানি আয় বড় আকারে বৃদ্ধিতে এ খাতে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশ পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে ১৯৫.৪ মিলিয়ন ডলার এসেছে। এই সংখ্যা এক বছর আগের এই সময়ের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ জুট স্পিনারস অ্যাসোসিয়েশন এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পাট খাত গত অর্থবছরে ৮৮২ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলারে পণ্য রপ্তানি করে সংকটে পড়া চামড়া খাতকে পেছনে ফেলে তৈরি পোশাকের পরের স্থান দখল করে নিয়েছে। গত অর্থ বছরে চামড়া খাতে ৭৯৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হয়েছিল। করোনা ভাইরাসের কারণে গেল অর্থবছরে তৈরি পোশাকসহ বড় সব খাতের রপ্তানি আয়ে ধস নামলেও পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ে বরাবরই উল্টো চিত্র দেখা গেছে।
সূত্র জানায়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়অ ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তার মধ্যে পাট ও পাট পণ্য রপ্তানি করে এসেছে ১৯৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার।
এদিকে এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুট স্পিনারস অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি শহীদুল করিম জানা, করোনা মহামারির মধ্যে গত দুই মাসে পাট রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে রপ্তানি আয়ও বাড়ছে।