• বৃহঃ. অক্টো ২২, ২০২০

ঘুরতে নিয়ে প্রেমিকাকে লঞ্চের কেবিনে খুন করলেন উবার চালক

সেপ্টে ১৬, ২০২০

পারাবত-১১ লঞ্চের কেবিনে জান্নাতুল ফেরদৌস লাবনীকে (২৯) হত্যার ঘটনায় তার পরকীয়া প্রেমিক মনিরুজ্জামান চৌধুরীকে (৩৪) ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর লাবনীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামান চৌধুরী পুলিশকে বলেন, লাবনীর সঙ্গে ২০১৮ সালে তার পরিচয় হয়। লাবনী বিবাহিত ছিলেন। এরপর তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বেশ কিছুদিন ধরে তাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না।

কয়েকদিন আগে লাবনী লঞ্চ করে বরিশাল ঘুরতে যাওয়ার বায়না ধরে। রোববার ঢাকা থেকে একসঙ্গে বরিশালে যাওয়ার জন্য পারাবত-১১ লঞ্চে উঠেন তারা। লঞ্চের কেবিনে লাবনীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে লাবনীকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরে বাসে করে ঢাকায় চলে আসেন মনিরুজ্জামান।

গ্রেফতারকৃত মনিরুজ্জামান চৌধুরী পেশায় রাইড শেয়ার উবারের মোটরসাইকেল চালক। ঢাকার মীরপুর ১ নম্বরের দারুসসালাম এলাকায় বসবাস করেন তিনি। মনিরুজ্জামান এক সন্তানের জনক।

অন্যদিকে, লাবনী ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আব্দুল লতিফ মিয়া ও মমতাজ চৌধুরী দম্পতির মেয়ে। বর্তমানে তারা ঢাকার পল্লবীতে থাকেন। লাবনীর স্বামী পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান। লাবনী দুই সন্তানের জননী ছিলেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকা থেকে বরিশালে আসা যাত্রীবাহী পারাবত-১১ লঞ্চের ৩৯১ নম্বর কেবিন থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর নৌ-থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) অলোক চৌধুরী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন সদর নৌ-থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পিবিআইসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট সহায়তা করে আসছিল।