• বৃহঃ. অক্টো ২৯, ২০২০

রাতারাতি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ছে ১০ থেকে ২০ টাকা

সেপ্টে ১৫, ২০২০

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধে ভারতের ঘোষণায় ঢাকার খুচরা বাজারে রাতারাতি মশলাজাতীয় পণ্যটির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। আবার অনেক দোকানেই পেঁয়াজ কিনতে এসে শূন্য হাতে ফিরে যেতে দেখা গেছে ক্রেতাদের।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর মিরপুর, জোয়ার সাহারার কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর থেকে হঠাৎ করেই প্রচুর ক্রেতা দোকানে ভিড় করেছেন পেঁয়াজ কেনার জন্য। তবে বেশ কিছু দোকানেই পেঁয়াজ না পেয়ে শূন্য হাতেই ফিরতে হয়েছে ক্রেতাদের।

জোয়ার সাহারার কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, এসব দোকানে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

এদিকে মিরপুর শেওড়াপাড়ার তাজ জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ শহীদ বলেন, বিকাল থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা না থাকলেও সন্ধ্যার পর পেঁয়াজের বিক্রি বেড়ে গেছে। ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে এখানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। সকালের চেয়ে দাম একটু বেশি।

তিনি আরও বলেন, এক বস্তা পেঁয়াজ ছিল সন্ধ্যার পর বিক্রি হয়ে গেছে। শুনলাম পাইকারি বাজারের দাম বেড়ে গেছে রাতারাতি। তাই আগামীকাল দামে পেঁয়াজ কিনে আনতে হবে।

মিরপুরের আরেক পেঁয়াজ-আলু বিক্রেতা আব্দুল খালেক বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরাও দাম বাড়িয়েছি। শুনলাম ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। সেজন্য হুহু করে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। আগামীকাল কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়বে।

এদিকে মিরপুর কাজীপাড়ায় একটি দোকানে পেঁয়াজ কিনতে আসা গৃহিণী নাহিদা আক্তার বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে এজন্যই রাতেই পেঁয়াজ কিনতে এসেছি। ৫ কেজি পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে কিনলাম। সকালে পেঁয়াজ ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ভারতের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে খুচরা ব্যবসায়ীরা কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন। আগামীকাল হয়তো এটির দাম আরও বেড়ে যাবে তাই একটু বেশি দাম দিয়ে হলেও পেঁয়াজ কিনে রাখলাম।

অপরদিকে, খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম কমে গেলে তারাও পেঁয়াজের দাম কমিয়ে দেবেন। তবে এই মুহূর্তে দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।