• বৃহঃ. অক্টো ২২, ২০২০

অক্টোবর থেকে একাদশের অনলাইন ক্লাস

সেপ্টে ১৪, ২০২০

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দেশের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি শেষে আগামী মাসের শুরু থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি মু. জিয়াউল হক রোববার এই তথ্য জানান। “অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে শুরু করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর স্বাভাবিক ক্লাস হবে।” একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কয়েকটি ধাপ শেষ করে রোববার থেকে কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছেন। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলেজে ভর্তি হওয়া যাবে। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক মো. হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী রোববার থেকে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছেন। তিনি বলেন, “কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান বেশি ফি নিচ্ছে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাচ্ছি। যেসব প্রতিষ্ঠান বেশি ফি নিচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছি আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব। সরকার নির্ধারিত ফি’র বেশি নেওয়া যাবে না।” এবার মহামারীর মধ্যে অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, প্রশংসাপত্রসহ কোনো সনদপত্র জমা না নিয়েই শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মহামারীর উন্নতি হলে সুবিধামতো সময়ে সত্যায়িত এসব সনদপত্রের কপি কলেজে জমা দিতে হবে। তবে কোটার শিক্ষার্থীদের অবশ্যই কোটা প্রাপ্তির উপযুক্ত সনদ দাখিল করে কলেজে ভর্তি হতে হচ্ছে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এদের মধ্যে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হতে আবেদন করেছেন। বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, যারা কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেননি, তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবেন, কেউ দেশের বাইরে পড়তে যাবেন, অন্যরা ঝরে পড়বেন। গত ৯ অগাস্ট থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তি প্রক্রিয়ার সবগুলো ধাপ শেষ হওয়ার পর আগামী ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি হতে হবে। অন্য বছর ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হলেও এবার করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এই শ্রেণিতে বিলম্বে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা আছে। প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে এবার পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা নেবে না সরকার। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে আছে।