• বুধ. নভে ২৫, ২০২০

বকশীগঞ্জ-মেরুরচর সড়কে ব্রীজ আছে, নেই সংযোগ, জনদূর্ভোগ চরমে

সেপ্টে ১৩, ২০২০

বকশীগঞ্জ -মেরুরচর সড়কের আউলপাড়া খালে ব্রীজ আছে। নেই সংযোগ রাস্তা। ফলে কোটি টাকার ব্রীজ সাধারণ মানুষের কোনো কাজে আসছে না। জনসাধারনকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে প্রায় শতাধিক অটোরিকসা, অটোভ্যান,অটোবাইক ও সিএনজি চালক। মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। ঝুকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
জানাগেছে,বকশীগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে মেরুরচর গ্রাম পর্যন্ত একটি পাকা সড়ক রয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় পাচঁ কিলোমিটার। গত ২০১৭ সালের বন্যায় বকশীগঞ্জ-মেরুরচর সড়কের আউলপাড়া এলাকায় ব্রীজটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ২০১৮ সালের বন্যায় ব্রীজটি পুরোপুরো ভেঙ্গে যায়। এতে করে বকশীগঞ্জ উপজেলা সদরের সাথে মেরুরচরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর দাবির পরিপেক্ষিতে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নতুন ব্রীজের নির্মান কাজ শুরু হয়। বন্যা দূর্যোগ ক্ষতিগ্রস্থ অবকাঠামো পুর্নবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ মিটার দৈর্ঘ্য ব্রীজটির ব্যয় ধরা হয় ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। ২০২০ সালে মাঝামাঝি সময়ে ব্রীজটির কাজ সম্পন্ন হয়। তবে এখন পর্যন্ত ব্রিজটির কাজ বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। এলাকাবাসী ওই ব্রীজের উপর দিয়েই যাতায়াত করে আসছিলো। বিগত বন্যা ও ভারী বর্ষণে ব্রীজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ধসে যাওয়া মাটি ভরাট না করায় মেরুরচর,ফকিরপাড়া-কলকিহারা-বাগাডুবা ও ইসলামপুরের কাছিমারচর এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
ইউপি সদস্য ছামিউল হক জানান,ব্রীজের দুই পাশে মাটি না থাকায় যাতায়াতে অনেক সমস্যা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায় এলাকাবাসী।
মেরুরচর গ্রামের স্কুল শিক্ষক নুর ইসলাম জানান, বন্যা ও প্রবল বৃষ্টির কারণে ব্রীজটির দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অসুস্থ রোগী নিয়েও উপজেলা সদর হাসপাতালে যেতে পারেনা এ এলাকার মানুষ। যাতায়াতে আমাদের দারুন সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এর সমাধান চাই।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, ভারী বর্ষনের কারণে ব্রীজটির দুই পাশে মাটি সরে গিয়েছে। বিষয়টি আমি অবগত আছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হবে।