• শনি. জুলা ২, ২০২২

চিলমারীতে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা, আটকে যাচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম

এপ্রি ৭, ২০২২

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
সামান্য বৃষ্টি হলেও তলিয়ে যায় মাঠ। চারদিনে থৈ থৈ করে পানি। জলাবদ্ধাতায় আটকে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা। বাড়ছে দুর্ভোগ শেষ নেই ভোগান্তির। বৃষ্টি শুরু কিংবা বর্ষকাল আসলেই চরম বিপাকে পড়তে হয় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার কে ডি ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাচকোল বাধেঁ নিচে অবস্থিত বিদ্যালয়টি পাশর্^বর্তী বাড়ী-ঘর স্কুলের মাঠের চেয়ে উচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেও পানির তলিয়ে যায় মাঠটি। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিন দেখাগেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীদের থাকতে হচ্ছে শ্রেণিকক্ষ এছাড়াও বৃষ্টি হলে ক্লাসরুমেই পড়ছে পানি। মাঠে পানি থাকায় ক্লাসের বাড়িতে আসতে পারছেনা শিক্ষার্থীরা। জলাবদ্ধতার কারণে শ্রেণিকক্ষে যাতায়াতের সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীর অনেকেরই পানিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত স্কুল মঠ জলাবদ্ধতার হাত থেকে দাবি জানান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল। স্থানীয়রা জানায়, মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কিন্তু জলাবদ্ধতা নিরসনে বাস্তব ভিত্তিক কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া মাঠে জমে থাকা কাঁদা পানির কারণে শিক্ষার্থীরা শরীরচর্চা ও জাতীয় সংগীত গাইতে পারছে না বলে জানান স্থানীয়রা। প্রধান শিক্ষক মোঃ আহসানুল কবির বলেন, এই স্কুলে ১১০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে থাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না। এ বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু সালেহ সরকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরেজমিন ঘুরে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাণীগঞ্জ ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান মাঞ্জুরুল ইসলাম জানান, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বড় ধরনের কোন বরাদ্দ না থাকায় মাটি ভরাট করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে কথা বলে পানি নিষ্কাষণে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়া।