• অক্টোবর ২, ২০২২ ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ

যেভাবে জিমেইলে ‘গোপনীয়’ বার্তার নিরাপত্তা বাড়াবেন

সেপ্টে ৮, ২০২২

গুগল ব্যবহারকারীর মেইল হ্যাকারদের কাছ থেকে নিরাপদ রাখতে টিএলএস এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও প্রাপকের কাছ থেকে মেইলের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কার্যত সম্ভব না হলেও ‘গোপনীয় বার্তার’ নিরাপত্তা কিছুটা হলেও বাড়ানো সম্ভব জিমেইলের ‘কনফিডেনশিয়াল মোড’ ব্যবহার করে। গুগল জিমেইল সেবায় এ ফিচারটি যোগ করেছে ২০১৮ সালে। ‘কনফিডেনশিয়াল মোড’-এর সেটিংস ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময় পর মেসেজ মুছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন প্রেরক। এ ছাড়া প্রাপক যেন মেইলের কনটেন্ট কপি করে নিতে না পারেন, অন্য কারও কাছে ফরোয়ার্ড করতে না পারেন বা ডাউনলোড করতে না পারেন সে ব্যবস্থাও করতে পারবেন প্রেরক। ডেস্কটপ ও মোবাইল ডিভাইসের অ্যাপ- জিমেইলের উভয় সংস্করণ থেকেই ফিচারটি ব্যবহার করা সম্ভব। তবে, প্রতিবার মেসেজ পাঠানোর সময়ে চালু করে নিতে হবে ফিচারটি।
ব্রাউজারে ‘কনফিডেনশিয়াল মোড’ চালু করবেন যেখাবে
>> প্রথমে ‘কম্পোজ’ বাটন চেপে নতুন মেসেজের উইন্ডো খুলুন।
>> ‘সেন্ড’ বাটনের ডান পাশে বন্ধ তালার চিহ্নটি খুঁজে নিয়ে তাতে ট্যাপ করুন।
>> পর্দায় একটি নতুন পপ-আপ উইন্ডো আসবে। পপ-আপ উইন্ডোতে কয়েকটি প্যারামিটার থাকবে। ওই প্যারামিটারগুলো ব্যবহার করে নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে প্রাপক কত সময় ওই মেসেজে প্রবেশাধিকার পাবেন। এ ক্ষেত্রে এক দিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া যাবে প্রাপককে।
>> ‘এক্সপায়রেশন ডেট’-এর নিচেই থাকবে ‘রিকোয়্যার পাসকোড’ ক্যাটাগরি। এই ফিচারটির মাধ্যমে একটি বাড়তি নিরাপত্তা স্থর সৃষ্টি করা সম্ভব। এর জন্য ‘এসএমএস পাসকোড’ অপশনটি চিহ্নিত করুন। ফলে মেসেজ পড়ার জন্য আলাদা পাসকোড দিতে হবে প্রাপককে; প্রাপকের ফোন নম্বরে পাসকোড মেসেজ করে পাঠিয়ে দেবে গুগল।
>> আর প্রাপক যদি জিমেইল ব্যবহারকারী না হন তবে ‘নো এসএমএস পাসকোড’ চিহ্নিত করার পরেও প্রাপকের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাসকোড পাঠানো হবে।
>> মেইলটি যে কনফিডেনশিয়াল মোডে পাঠানো হচ্ছে, সেটি নিশ্চিত করতে প্রেরকের পর্দার নিচে চলে আসবে বিশেষ বার্তা।
মোবাইল থেকে পাঠাবেন যেভাবে
জিমেইলের ওয়েব সংস্করণ আর মোবাইল সংস্করণ থেকে ‘কনফিডেনশিয়াল মোড’ ব্যবহারের প্রক্রিয়া প্রায় একই। তবে, স্ক্রিনে বাটনের অবস্থানে পার্থক্য থাকতে পারে। আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড উভয় প্ল্যাটফর্মের জন্যই প্রক্রিয়াটি একই।
>> নতুন মেসেজ কম্পোজ করুন।
>> অ্যাপের ওপরের ডান কোণের লম্বালম্বিভাবে থাকা তিনটি ডট চিহ্নে ট্যাপ করে ‘কনফিডেনশিয়াল মোড’ নির্ধারণ করুন।
>> ওয়েব সংস্করণের মতই মোবাইল অ্যাপ থেকেও মেসেজের ‘এক্সপায়রেশন ডেট’ নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে। বাড়তি পাসওয়ার্ড যোগ করার প্রক্রিয়াটিও একই।
>> সেটিংস ঠিক করা হয়ে গেলে ‘কনফিডেনশিয়াল মোড’ ব্যবহারে করে মেসেজটি পাঠানো হয়েছে তার নোটিফিকেশন চলে আসবে পর্দার নিচের দিকে ছোট একটি উইন্ডোতে। মেসেজের সময় সীমাও সেখানে উল্লেখ থাকবে।