• ডিসেম্বর ১, ২০২২ ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ

ফুলবাড়ীতে সরকারি স্কুলের ৪০ লাখ টাকা ফেরত গেলো

সেপ্টে ২২, ২০২১

ফুলবাড়ী প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় উন্নয়ন পরিকল্পনা জন্য (স্লিপ) এর বরাদ্দকৃত ৪০ লাখ টাকা ফেরত গেছে। সঠিক সময় বরাদ্দের টাকা ব্যয় করতে না পারায় এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিসে । তবে শিক্ষকরা কাজ করে সঠিক সময় বিল ভাউচার দাখিল করলেও আড়াই মাসেও পায়নি তাদের অর্ধেক টাকা। তবে ভুলবশত সময়মত ওই টাকা ব্যয় করতে না পারায় পুনরায় টাকা ফেরত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করেছেন শিক্ষা কর্মকর্তা । এ নিয়ে শোকজ করা হয়েছে উচ্চমান সহকারী সহিদুল ইসলাম কে। টাকা পাওয়ার আশায় ১৪৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানগন র্ধণা দিচ্ছেন অফিস পাড়ায়।
জানা গেছে, বিদ্যালয় পর্যায় উন্নয়ন পরিকল্পনা জন্য (স্লিপ), ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ফুলবাড়ী উপজেলার ১৪৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত ৮০ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। এ মধ্যে ২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়। অন্যান্য গুলোতে দেয়া হয় ৫০ হাজার করে টাকা । নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন ধার দেনা করে প্রতিষ্ঠানে কাজ গুলো সমাপ্ত করে গত মে মাসে বিল ভাউচার দাখিল করেন । সংশ্লিষ্ঠরা তাদের কাজ গুলো পরিদর্শন করে গত ৩০ জুনের মধ্যে স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে প্রধান ও ম্যানেজিং (এসএমসি) কমিটির সভাপতির একাউন্টে কাজের বিপরীতকৃত টাকা ছাড় দেয়া কথা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার । ওই কর্মকর্তা চুরান্ত বিল না দিয়ে অর্ধেক টাকা ছাড় দেন । পরবর্তীতে বাকী টাকা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়ে দেন প্রধানদেরকে। তবে দীর্ঘ আড়াই মাস পেরিয়ে যাওয়ায় টাকা উত্তোলনের জন্য চাপ দেন তারা। এদিকে সময়মত বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করতে না পারায় ৪০ লাখ ১৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে ফেরত যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় হতাশায় পড়েন কর্মকর্তারা। দায়িত্ব অবহেলার কারনে উপজেলা শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারী ও কাম হিসার রক্ষক সহিদুল ইসলামকে দায়ী করে তাকে শোকজ করা হয়। তা ছাড়াও ভুলবশত সময়মত ওই টাকা ব্যয় করতে না পারায় পুনরায় টাকা ফেরত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধীদপ্তরে আবেদন করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ।
উচ্চমান সহকারী ও কাম হিসাব রক্ষক মো.শহিদুল ইসলাম জানান, আমার ভুলের কারণেই স্লিপের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ফেরত গেছে । সে জন্য শিক্ষা কর্মকর্তা আমাকে শোকজ করেছেন। আমি তার জব্বা ৫ সেপ্টেম্বর দিয়েছি।
এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এরশাদুল হক জানান, কিছু সমস্যার কারণে স্লিপের অর্ধেক টাকা ফেরত গেছে। এ নিয়ে উচ্চমান সহকারী ও কাম হিসাব রক্ষক শহিদুল ইসলামকে শোকজ করা হয়েছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পুনরায় টাকা ফেরত চেয়ে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।