• রবি. জুন ২৬, ২০২২

চিলমারীতে তলিয়ে গেছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

জুন ১৯, ২০২২

সাওরাত হোসেন সোহেল, চিলমারী:
বাড়ছে পানি ডুবছে চিলমারী। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক এলাকা। তলিয়ে গেছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। প্রায় ১সপ্তাহ থেকে পানিবন্দি থাকলে আশ্রয়ণবাসীদের মাঝে মেলেনি কোন সহায়তা, বাড়ছে দুর্ভোগ, দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটের সাথে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা থেকেও রয়েছে বঞ্চিত তারা। সরকারী ঘর পেলেও সরকারী অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকায় হাতাশায় বাসীন্দারা।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের চিলমারী ডুবতে শুরু করেছে। তলিয়ে গেছে উপজেলার জোড়গাছ বাঁধ এলাকায় সদ্য নির্মান হওয়া প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর গুলো। একই স্থানে গড়ে উঠা ১৫টি পরিবারের জন্য ১৫ টি ঘর নির্মান করা হলেও নির্মানে অনিয়মসহ আশ্রয়ণ বাসীদের বের হওয়ার কোন রাস্তার ব্যবস্থা না করায় বিপাকে রয়েছেন আশ্রয় নেয়া বাসীন্দারা বলে জানান তারা। এছাড়াও নির্মানের সময় সামান্য উঁচু করায় বন্যা আসতে না আসতেই তলিয়ে যাওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে তারা। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে পড়ায় দেখা দিয়েছে তাদের মাঝে হাহাকার বাড়ছে দুশ্চিন্তা। আশ্রয়ণ বাসীন্দারা জানান, প্রায় ৭দিন থেকে তারা পানিবন্দি অথচ কেউ তাদের খবর নেয়নি, মেলেনি কোন সাহায্য। আশ্রয়ণের বাসীন্দা রিনা বেগম বলেন, স্বামী অসুস্থ হাতে কোন কাম কাজ নেই বন্যার কারনে কোথায় বের হওয়ায়ও সুযোগ নেই এবাড়ি ওবাড়ি থেকে চেয়ে খেয়ে বেঁচে আছি। তিনি আরো জানান, ৭দিন থেকে পানিবন্দি আছি কেউ আসলো না আমাদের খরব নিতে। খুব কষ্টে দিনপার করছি মন্তব্য করে আশ্রয় নেয়া বেদেলা, মোরশেদাসহ অনেকে বলেন, ঘরগুলো নিচু হওয়ায় বন্যা শুরু হতেই তলিয়ে গেছে আর আশ্রয়ণ কেন্দ্র থেকে বের হওয়ায় রাস্তা না থাকার আরো বেশি বিপদ হইছে। তারা আরো জানান, প্রায় ১সপ্তাহ থেকে পানিবন্দি, ঘরে থাকা খাবার শেষে হয়ে গেছে এহন কেমনে চলবো। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আশ্রয় নেয়া বাসীন্দাদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম আশেক আকা বলেন, আমরা দ্রুত তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করবো। কথা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, তাদের ভয়ের কোন কারন নেই সরেজমিন ঘুরে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।