• ডিসেম্বর ১, ২০২২ ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ

কুড়িগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসো ঘটনায় ছয় শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ও এমপিও স্থগিত : এক শিক্ষককে বরখাস্তের নির্দেশ

নভে ৩, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার:
কুড়িগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ছয় শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ও এমপিও স্থগিত এবং এক শিক্ষককে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফর। গত মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) অধিদফতের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সই করা আদেশ জারি হয় এবং বৃহস্পতিবার এ আদেশ হস্তগত হয় ।
কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল আলম জানান, এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার ঘটনায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলাধীন নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয় জন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও এবং বেতন স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে খণ্ডকালীন এক শিক্ষককে বরখান্তের নির্দেশ দিয়েছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের গত ১ নভেম্বরের সই করা আদেশে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার এ আদেশ আমাদের হস্তগত হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলাধীন নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষক-কর্মচারী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১ এর ধারা ১৮.১(গ) এর পরিপন্থি অপরাধের জন্য তাদের এমপিও স্থগিতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। শিক্ষক কর্মচারীরা হচ্ছেন- প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আমিনুর রহমান, কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হামিদুর রহমান, বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মো: সোহেল আল মামুন, অফিস সহকারী মো আবু হানিফ এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. সুজন। অফিস আদেশে এসব শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও স্থগিতের বিষয়ে প্রয়োজনীয়ব্যবস্থা নিতে সাধারণ প্রশাসন শাখার উপপরিচালককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া একই বিদ্যালয়ের ইসলাম ধর্ম বিষয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক জুবাইর হোসাইনকে বরখান্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাজ্জাদ হোসেন জানান, আলোচিত প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষা বিভাগ দু-দফা তদন্ত করেছে। সেই তদন্ত রিপোর্টের আলোকে অভিযুক্তদের ৭দিনের সময় দিয়ে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব পাবার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ এ আদেশ দেন।